মঙ্গল গ্রহের বাড়ি নির্মাণ নিয়ে তৈরি প্রতিযোগিতায় এমআইটির শিক্ষার্থীদের রেডউড ফরেস্টের নকশা পুরস্কার জিতেছে। মঙ্গল গ্রহে টেকসই বাড়ির নকশা হিসেবে গাছবাড়ির নকশা তৈরি করেছেন তাঁরা। ছবি: মারস ওয়ান।
মঙ্গল গ্রহে বাস করতে গেলে ঘরবাড়ি কেমন হতে হবে, তা নিয়ে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত ‘মারস সিটি ডিজাইন’ প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হয়েছে ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির (এমআইটি) একটি দল। তারা ভবিষ্যতে মঙ্গল গ্রহে টিকে থাকতে টেকসই শহর তৈরির নকশা দিয়েছে।
‘রেডউড ফরেস্ট’ নামের ওই নকশায় গম্বুজ বা গাছের বাসস্থান তৈরির বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে, যার একটি বাড়িতে ৫০ জন মানুষ থাকতে পারবে। ওই গম্বুজে উন্মুক্ত ও মানুষের চলাফেরার জায়গার পাশাপাশি গাছপালা ও প্রচুর পানি থাকবে। মঙ্গলের উত্তর দিকের সমভূমি থেকে পানি উৎপাদন ও ফসল সংগ্রহ করা হবে। গাছের বাসস্থান মূলত মাটির নিচের টানেলের ওপর তৈরি বিশেষ ঘর। এতে ব্যক্তিগত চলাফেরার জায়গার পাশাপাশি আরেকজনের ঘরে যাওয়া ও যোগাযোগের সুযোগ থাকবে। ১০ হাজার মানুষের একটি শহর গড়ে তোলা সম্ভব এভাবে। এগুলো গাছের মূলের মতো কাজ করবে। সংযোগ ছাড়াও মূলের মতো টানেলগুলো এখানকার মানুষকে মহাজাগতিক বিকিরণ, গ্রহাণুর ধুলা ও চরম তাপবৈচিত্র্য থেকে সুরক্ষা দেবে।
এমআইটির গবেষক ভ্যালেনটিনা সুমিনি ও সহকারী অধ্যাপক ক্যাটলিন মুলারের নেতৃত্বে এখানকার বিভিন্ন বিভাগের নয়জন শিক্ষার্থী অংশ নেন।এমআইটির শিক্ষার্থীরা মঙ্গলগ্রহের ভবিষ্যতের শহরের নকশা তৈরি করেছেন। বনের মতো টেকসই শহরের নকশার নাম দিয়েছেন রেডউড ফরেস্ট। ছবি: এমআইটি।
গবেষক সুমিনি বলেন, ‘মঙ্গলে আমাদের নকশায় তৈরি শহরটি আক্ষরিক অর্থে একটি বনের মতো কাজ করবে। মঙ্গল গ্রহের বরফ, পানি, মাটি, সূর্যের আলো জীবনধারণে সাহায্য করবে। মঙ্গলের মাটিতে একটি বনের নকশা করার অর্থ এর পৃষ্ঠে প্রাকৃতিকভাবে প্রকৃতিকে ছড়িয়ে দেওয়ার সম্ভাবনা ফুটিয়ে তোলা।’প্রতিটি গাছবাড়ি শাখা-প্রশাখা পদ্ধতির মতোই হবে এবং টানেলগুলো গাছের মূলের মতো হবে। রেডউড ফরেস্টের এই নকশা কম্পিউটারের বিশেষ পদ্ধতিতে তৈরি করেছেন তাঁরা। প্রতিটি গাছবাড়ি সূর্যের আলো থেকে শক্তি সংগ্রহ করবে এবং সৌরশক্তি ব্যবহার করে পানি উৎপাদন ও পরিবহন করবে। প্রতিটি গাছ পানিসমৃদ্ধ পরিবেশ হিসেবে সৃষ্টি করা হয়েছে। এ নকশার অনেকগুলো ফিচার পৃথিবীর জন্যও কাজে লাগানো যেতে পারে। যানজটপূর্ণ শহরে মাটির নিচে একাধিক স্তরের নেটওয়ার্ক তৈরি করে বৈদ্যুতিক গাড়ি ব্যবস্থা করলে সহজে যাতায়াত করা যাবে। তথ্যসূত্র: এনডিটিভি, পিটিআই।
মঙ্গল গ্রহে বাস করতে গেলে ঘরবাড়ি কেমন হতে হবে, তা নিয়ে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত ‘মারস সিটি ডিজাইন’ প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হয়েছে ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির (এমআইটি) একটি দল। তারা ভবিষ্যতে মঙ্গল গ্রহে টিকে থাকতে টেকসই শহর তৈরির নকশা দিয়েছে।
‘রেডউড ফরেস্ট’ নামের ওই নকশায় গম্বুজ বা গাছের বাসস্থান তৈরির বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে, যার একটি বাড়িতে ৫০ জন মানুষ থাকতে পারবে। ওই গম্বুজে উন্মুক্ত ও মানুষের চলাফেরার জায়গার পাশাপাশি গাছপালা ও প্রচুর পানি থাকবে। মঙ্গলের উত্তর দিকের সমভূমি থেকে পানি উৎপাদন ও ফসল সংগ্রহ করা হবে। গাছের বাসস্থান মূলত মাটির নিচের টানেলের ওপর তৈরি বিশেষ ঘর। এতে ব্যক্তিগত চলাফেরার জায়গার পাশাপাশি আরেকজনের ঘরে যাওয়া ও যোগাযোগের সুযোগ থাকবে। ১০ হাজার মানুষের একটি শহর গড়ে তোলা সম্ভব এভাবে। এগুলো গাছের মূলের মতো কাজ করবে। সংযোগ ছাড়াও মূলের মতো টানেলগুলো এখানকার মানুষকে মহাজাগতিক বিকিরণ, গ্রহাণুর ধুলা ও চরম তাপবৈচিত্র্য থেকে সুরক্ষা দেবে।
এমআইটির গবেষক ভ্যালেনটিনা সুমিনি ও সহকারী অধ্যাপক ক্যাটলিন মুলারের নেতৃত্বে এখানকার বিভিন্ন বিভাগের নয়জন শিক্ষার্থী অংশ নেন।এমআইটির শিক্ষার্থীরা মঙ্গলগ্রহের ভবিষ্যতের শহরের নকশা তৈরি করেছেন। বনের মতো টেকসই শহরের নকশার নাম দিয়েছেন রেডউড ফরেস্ট। ছবি: এমআইটি।গবেষক সুমিনি বলেন, ‘মঙ্গলে আমাদের নকশায় তৈরি শহরটি আক্ষরিক অর্থে একটি বনের মতো কাজ করবে। মঙ্গল গ্রহের বরফ, পানি, মাটি, সূর্যের আলো জীবনধারণে সাহায্য করবে। মঙ্গলের মাটিতে একটি বনের নকশা করার অর্থ এর পৃষ্ঠে প্রাকৃতিকভাবে প্রকৃতিকে ছড়িয়ে দেওয়ার সম্ভাবনা ফুটিয়ে তোলা।’প্রতিটি গাছবাড়ি শাখা-প্রশাখা পদ্ধতির মতোই হবে এবং টানেলগুলো গাছের মূলের মতো হবে। রেডউড ফরেস্টের এই নকশা কম্পিউটারের বিশেষ পদ্ধতিতে তৈরি করেছেন তাঁরা। প্রতিটি গাছবাড়ি সূর্যের আলো থেকে শক্তি সংগ্রহ করবে এবং সৌরশক্তি ব্যবহার করে পানি উৎপাদন ও পরিবহন করবে। প্রতিটি গাছ পানিসমৃদ্ধ পরিবেশ হিসেবে সৃষ্টি করা হয়েছে। এ নকশার অনেকগুলো ফিচার পৃথিবীর জন্যও কাজে লাগানো যেতে পারে। যানজটপূর্ণ শহরে মাটির নিচে একাধিক স্তরের নেটওয়ার্ক তৈরি করে বৈদ্যুতিক গাড়ি ব্যবস্থা করলে সহজে যাতায়াত করা যাবে। তথ্যসূত্র: এনডিটিভি, পিটিআই।