মানুষের মেরুদণ্ড ৩৩টি ভার্টিব্রা বা কশেরুকা দিয়ে তৈরি। ঘাড়ের অংশে থাকে সাতটি কশেরুকা। এই কশেরুকাগুলো একটি অপরটির সাথে ডিস্ক ও লিগামেন্ট দিয়ে সংযুক্ত থাকে। মেরুদণ্ডের ঘাড়ের অংশ সামনের দিকে উত্তলভাবে বাঁকানো। সবচেয়ে বেশি বাঁকানো থাকে পঞ্চম ও ষষ্ঠ কশেরুকার মধ্যকার ডিস্ক বরাবর। এই ডিস্কে স্পনডাইলোসিস বেশি ঘটে, কারণ এই স্থানে সবচেয়ে বেশি চাপ পড়ে।
প্রথম ও দ্বিতীয় গ্রিবা কশেরুকা বাদে ঘাড়ের পাঁচটি কশেরুকা প্রায় একই রকম দেখতে। সাধারণত ২০ বছর বয়সের পর থেকেই গ্রিবা কশেরুকাগুলোতে কিছু পরিবর্তন শুরু হয়। দুই কশেরুকার মধ্যবর্তী ডিস্কের পানির ভাগ কমতে শুরু করে। ফলে ডিস্ক হারাতে থাকে তার স্থিতিস্থাপকতা। ডিস্কগুলো ধীরে ধীরে শুকিয়ে পাতলা ও ভঙ্গুর হয়ে পড়ে। ফলে কশেরুকাগুলোর প্রান্তগুলো পরস্পরের সাথে ঘষা খেতে থাকে ও তৈরি হয় হাড়ের উপবৃদ্ধি। এই হাড়ের উপবৃদ্ধিগুলো ঘাড়ের দুর্বল ও নড়বড়ে কশেরুকাগুলোকে কিছুটা সুস্থিতি দিলেও আরেকটি যন্ত্রণার সৃষ্টি করে। দুটো কশেরুকার মাঝের যে ছিদ্র দিয়ে সুষুম্না স্নায়ুগুলো বেরিয়ে আসে সুষুম্নাকাণ্ড থেকে, সেই ছিদ্রের ভেতরও এসব হাড়ের উপবৃদ্ধিগুলো তৈরি হতে থাকে। ফলে ছিদ্রগুলো সরু হয়ে যায় এবং চাপ পড়ে সেই সব সুষুম্না-স্নায়ুমূলে চাপের ফলে ব্যথা ঘাড় থেকে নেমে আসে হাত ও আঙুলে।
প্রথম ও দ্বিতীয় গ্রিবা কশেরুকা বাদে ঘাড়ের পাঁচটি কশেরুকা প্রায় একই রকম দেখতে। সাধারণত ২০ বছর বয়সের পর থেকেই গ্রিবা কশেরুকাগুলোতে কিছু পরিবর্তন শুরু হয়। দুই কশেরুকার মধ্যবর্তী ডিস্কের পানির ভাগ কমতে শুরু করে। ফলে ডিস্ক হারাতে থাকে তার স্থিতিস্থাপকতা। ডিস্কগুলো ধীরে ধীরে শুকিয়ে পাতলা ও ভঙ্গুর হয়ে পড়ে। ফলে কশেরুকাগুলোর প্রান্তগুলো পরস্পরের সাথে ঘষা খেতে থাকে ও তৈরি হয় হাড়ের উপবৃদ্ধি। এই হাড়ের উপবৃদ্ধিগুলো ঘাড়ের দুর্বল ও নড়বড়ে কশেরুকাগুলোকে কিছুটা সুস্থিতি দিলেও আরেকটি যন্ত্রণার সৃষ্টি করে। দুটো কশেরুকার মাঝের যে ছিদ্র দিয়ে সুষুম্না স্নায়ুগুলো বেরিয়ে আসে সুষুম্নাকাণ্ড থেকে, সেই ছিদ্রের ভেতরও এসব হাড়ের উপবৃদ্ধিগুলো তৈরি হতে থাকে। ফলে ছিদ্রগুলো সরু হয়ে যায় এবং চাপ পড়ে সেই সব সুষুম্না-স্নায়ুমূলে চাপের ফলে ব্যথা ঘাড় থেকে নেমে আসে হাত ও আঙুলে।
