আরো দুটি নকিয়া স্মার্টফোন বাজারে নিয়ে এলো এইচএমডি গ্লোবাল। নতুন দুটি মোবাইল হ্যান্ডসেট হলো, নকিয়া ৫.১ প্লাস এবং নকিয়া ৩.১ প্লাস। আজ মঙ্গ...
আরো দুটি নতুন স্মার্টফোন নিয়ে এলো নকিয়া
ভুল করে হোয়াটসঅ্যাপের অন্য কাউকে মেসেজ করে ফেলছেন। ‘ডিলিট ফর এভরিওয়ান’ অপশন দিয়ে মেসেজ ডিলিটও করে দিলেন। কিন্তু তাতেও রক্ষে নেই। ৭ মিনিটে...
হোয়াটসঅ্যাপে বদলাচ্ছে মেসেজ ডিলিটের নিয়ম, জেনে নিন
একটি টেকনোলজি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, হোয়াটসঅ্যাপের ‘ডিলিট ফর এভরিওয়ান’ ফিচারটি গত বছর নভেম্বর মাসে প্রকাশ্যে আসে। লঞ্চ হওয়ার পরেই জনপ্রিয় হয়ে ওঠে এই ফিচারটি। কাউকে ভুল করে মেসেজ পাঠালে, প্রেরক চাইলে ৭ মিনিটের মধ্যে মেসেজ ডিলিট করতে পারবেন। কিন্তু এই সময় খুবই অল্প বলে অভিযোগ জানাচ্ছিলেন গ্রাহকরা। এবার গ্রাহকদের কথা মাথায় রেখেই সেই ফিচারে বদল আনল হোয়াটসঅ্যাপ কর্তৃপক্ষ।
ওই ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, এবার থেকে সেই সময়সীমা বাড়িয়ে ১ ঘণ্টা ৮ মিনিট ১৬ সেকেন্ড করে দেওয়া হয়েছে। ফলে মেসেজ পাঠানোর পরেও ডিলিট করতে হাতে ঘণ্টা খানেক সময় পাওয়া যাবে।
আরও পড়ুন: কিশোরীদেরকে অর্ধউলঙ্গ পুরুষদের বন্ধু হওয়ার পরামর্শ দিচ্ছে ফেসবুক
প্রসঙ্গত, এই সপ্তাহেই ‘ফরওয়ার্ড মেসেজিং’ ফিচার এনেছে হোয়াটসঅ্যাপ কর্তৃপক্ষ। চ্যাটের মেসেজ যদি অন্য কাউকে ফরওয়ার্ড করা হয় তাহলে এই ফিচারটির মাধ্যমে সহজেই তা বোঝা যাবে।
তবে এখনই ‘ডিলিট ফর এভরিওয়ান’ ফিচারের নতুন সুবিধা পাবেন না সবাই। জানা গিয়েছে, আপাতত কেবল হোয়াটসঅ্যাপ অ্যান্ড্রয়েড বিটা ভার্সনেই এই সুবিধা পাওয়া যাবে।
পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসছে ভিনগ্রহীদের পাঠানো কোনও মহাকাশযান? তা আদতে কোনও ধূমকেতু নয়? নয় কোনও গ্রহাণু বা অ্যাস্টারয়েড? এ বার হার্ভার্ড বি...
পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসছে ভিনগ্রহী মহাকাশযান!

পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসছে ভিনগ্রহীদের পাঠানো কোনও মহাকাশযান? তা আদতে কোনও ধূমকেতু নয়? নয় কোনও গ্রহাণু বা অ্যাস্টারয়েড?
এ বার হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষকদল জানাল, না, পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসা ওই মহাজাগতিক বস্তু ‘আউমুয়ামুয়া’ আদতে কোনও ধূমকেতু নয়। খুব সম্ভবত ওটা ভিনগ্রহীদের পাঠানো কোনও মহাকাশযান। আর সেটাকে চালাচ্ছে আলো। আমাদের সূর্য বা তার মতো কোনও নক্ষত্র (দের) আলোই তাকে ঠেলেঠুলে ব্রহ্মাণ্ডের এ প্রান্ত থেকে ও প্রান্তে নিয়ে চলেছে। অন্য কোনও নক্ষত্রমণ্ডল থেকে তাকে ঢুকিয়ে দিয়েছে আমাদের সৌরমণ্ডলে। আবার হয়তো কোনও কালে তাকে ঠেলেঠুলে আমাদের সৌরমণ্ডল থেকে ‘আউমুয়ামুয়া’কে টেনে বের করে নিয়ে যাবে সেই আলোই।
আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান-জার্নাল ‘দ্য অ্যাস্ট্রোফিজিক্যাল জার্নাল লেটার্স’-এ প্রকাশিতব্য তাদের গবেষণাপত্রে এমনটাই দাবি করেছেন হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই বিশিষ্ট অধ্যাপক জ্যোতির্বিজ্ঞানী স্যামুয়েল বেলি ও অভি লোয়েব।
গত বছরের অক্টোবরে হাওয়াই দ্বীপের হালিকালা অবজারভেটরির টেলিস্কোপে জ্যোতির্বিজ্ঞানী রবার্ট ভারিকের চোখে তা প্রথম ধরা পড়ার পর থেকেই এই মহাজাগতিক বস্তুটিকে নিয়ে তোলপাড় বিজ্ঞানী মহল। তখনই প্র্শ্ন ওঠে, ব্রহ্মাণ্ডের আলো-আঁধার ফুঁড়ে কি কখনও কোনও কালে আমাদের সৌরমণ্ডলে ঢুকে পড়েছিল অন্য কোনও নক্ষত্র (ইন্টারস্টেলার) বা গ্যালাক্সি (ইন্টার-গ্যালাক্টিক) থেকে আসা এক অচেনা আগন্তুক? সেই আগন্তুক আদতে কি ধুমকেতুর মতো কোনও মহাজাগতিক বস্তু? বা, কোনও গ্রহাণু বা অ্যাস্টারয়েড? নাকি, ভিনগ্রহীদের ব্রহ্মাণ্ড ঢুঁড়ে বেড়ানো কোনও মহাকাশযান?
এই মহাজাগতিক বস্তুটির আবিষ্কারের পরেই তার নাম রাখা হয় ‘আউমুয়ামুয়া’। হাওয়াই দ্বীপের ভাষায় যার অর্থ, বহু দূর অতীত থেকে আসা কোনও বার্তাবাহক। ২৩০ মিটার লম্বা, ৪০ মিটার চওড়া কালচে-লাল রংয়ের ‘সিগার’-এর মতো দেখতে ‘আউমুয়ামুয়া’র বয়স, জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের অনুমানে, প্রায় কয়েকশো কোটি বছর। এটা পুরু বড়জোর এক মিলিমিটার। এর শরীর পুরোপুরি মোড়া কার্বনের কোনও যৌগে। এর গতিবিধি এখনও সঠিক ভাবে বুঝে উঠতে পারেননি বিজ্ঞানীরা। গত বছরের অক্টোবরে সূর্যের অত্যন্ত জোরালো অভিকর্ষ বলের টানে ‘আউমুয়ামুয়া’ আমাদের নক্ষত্রের কাছে আসার সময়েই তা প্রথম চোখে পড়েছিল বিজ্ঞানীদের। তার তিন মাস পর থেকেই আবার তাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না পৃথিবীর কোনও প্রান্তের কোনও অবজারভেটরির কোনও শক্তিশালী টেলিস্কোপ থেকেই। সূর্যের কাছে আসার পরপরই অসম্ভব দ্রুত গতিতে ‘আউমুয়ামুয়া’ আমাদের থেকে অনেক অনেক দূরে আমাদেরই ছায়াপথ ‘মিল্কি ওয়ে গ্যালাক্সি’র কোথাও না কোথাও ‘মুখ লুকিয়েছে’। বা, ‘আত্মগোপন’ করেছে আমাদের সৌরমণ্ডলেরই কোনও অচেনা, অজানা প্রান্তে।
একটি বিবৃতিতে অধ্যাপক লোয়েব বলেছেন, ‘‘আউমুয়ামুয়া ভিনগ্রহীদের ব্যবহার করা কোনও যন্ত্রাংশের ভেঙে পড়া, অচল হয়ে যাওয়া অংশ নাকি তা এখনও সক্রিয়, সচল, তা স্পষ্ট নয়। হতে পারে কোনও নক্ষত্রের তীব্র বিকিরণের চাপ বা দৈত্যাকার কোনও লেসার রশ্মির ঠেলাই ‘আউমুয়ামুয়া’কে আমাদের সৌরমণ্ডলে ঢুকিয়ে দিয়েচিল কোনও কালে। আলোর ‘ঠেলা’ দিয়ে যে কোনও মহাকাশযান চালানো সম্ভব, তা আর কল্পবিজ্ঞানের বিষয়বস্তু নয়। আজ থেকে আট বছর আগেই জাপানের ‘আইকারস’ মহাকাশযানকে আলোর ঠেলা দেওয়া হয়েছিল, তার গতি হঠাৎ করে অনেকটা বাড়িয়ে তুলতে।
গত বছর একদল বিজ্ঞানী বলেছিলেন, ‘আউমুয়ামুয়া’ আদতে একটি ধূমকেতু, যার কোনও বরফের লেজ নেই। আবার ধূমকেতুর মাথায় যেমন গ্যাস আর ধুলোকণার জমাট বাঁধা একটি অংশ থাকে, তেমন কিছুও নেই ‘আউমুয়ামুয়া’-র মাথায় বা তার শরীরের কোনও অংশেই। তবে এর আগেও হদিশ মিলেছে লেজকাটা ধূমকেতুর।
এ বছরের জুনে ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সির বিজ্ঞানী মার্কো মিশেলি অঙ্ক কষে দেখিয়েছিলেন, শুধুই সূর্য বা কোনও নক্ষত্রের জোরালো অভিকর্ষ বলের টানে এই ব্রহ্মাণ্ডে ছুটে বেড়াচ্ছে না ‘আউমুয়ামুয়া’। তাই এটা কোনও গ্রহ বা গ্রহাণু নয়। বরং এটা যেন চলছে বাইরে থেকে আসা কোনও গ্যাসের ঠেলায়। তাই তাঁরা এটাকে ধূমকেতু বলেই মনে করেছিলেন।
কিন্তু এই অক্টোবরে কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্যোতির্বিজ্ঞানী রোমান রাফিকভ জানান, এটা এমনই ‘উড়নচণ্ডী, পাগলাটে’ যে, তার কোনও সুনির্দিষ্ট কক্ষপথ নেই। সেই কক্ষপথে সূর্য বা কোনও নক্ষত্রের কাছে এলে যেমন তার জোরালো টানে ধূমকেতুর বরফ বা গ্যাসের অংশগুলি ছিটকে বেরিয়ে আসে, ‘আউমুয়ামুয়া’-র ক্ষেত্রে তা হয় না। তাই এটা কোনও ধূমকেতু নয়। নয় কোনও গ্রহাণুও।
ইত্তেফাক/এসআর
একটি নয়, পৃথিবীর চাঁদ আসলে তিনটি! তবে আমাদের চেনা চাঁদের মতো নয় বাকি দু’টি। তারা তৈরি হয়েছে মহাজাগতিক ধুলো দিয়ে। ‘ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক...
পৃথিবীর চাঁদের সংখ্যা তিন, আশ্চর্য দাবির সপক্ষে প্রমাণ পেল বিজ্ঞানীরা
‘ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক’-এ প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে জানা যাচ্ছে, হাঙ্গেরির জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা প্রমাণ করেছেন অন্য দুই চাঁদের অস্তিত্ব। মান্থলি নোটিশেস অফ রয়্যাল অ্যাস্ট্রনমিক্যাল সোসাইটিতে প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, সেই রহস্যময় চাঁদের মধ্যে একটির ছবি তাঁরা তুলতে সক্ষম হয়েছেন। সেই সময় ওই চাঁদটির দূরত্ব পৃথিবী থেকে আড়াই লক্ষ মাইল ছিল।
তবে এই প্রথম নয়, আজ থেকে বহু বছর আগেই এমন দাবি শোনা গিয়েছিল। ১৯৬১ সালে পৃথিবীর আরও চাঁদ থাকার কথা ঘোষণা করেছিলেন পোল্যান্ডের এক জ্যোতির্বিজ্ঞানী কোর্দিলিউস্কি।
জানা যাচ্ছে, ওই দু’টি চাঁদ পৃথিবীকে নির্দিষ্ট সময় অন্তর প্রদক্ষিণ করে চলেছে। এই চাঁদ বা ঘন ধুলোর মেঘদের বলা হয় কোর্ডলিউয়েস্কি মেঘ। এই দুই চাঁদ আকারে খুব বড় হলেও যেহেতু ধূলিকণা দিয়ে তৈরি, তাই তাদের ওজন সামান্য।
সূর্যের আলো পড়লে তাদের পিঠ থেকে আলো প্রতিফলিত হয়। কিন্তু খুবই ক্ষীণ সেই প্রতিফলন। সেই কারণেই আকাশের বুকে তাদের দেখতে পান না পৃথিবীবাসীরা। তারার আলো, আকাশের ঔজ্জ্বল্য ইত্যাদির ভিড়ে হারিয়ে যায় সেই সামান্য আলো। তবে এখনও পর্যন্ত তাদের একটিকেই দেখতে পাওয়া গিয়েছে। অন্যটির দেখাও শিগগির মিলবে, এমনটাই আশা বিজ্ঞানীদের।
অনলাইনে মোবাইলে গেম খেলে জিতলেই মিলছে নানা পুরুস্কার। পুরুস্কার হিসেবে পাওয়া যাচ্ছে সোনা। শুনতে অবাক করার মত হলেও 'প্ল্যানেট গোল্ড র...
মোবাইলে গেম খেলে জিতলেই মিলছে সোনা!
ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী মার্ক জাকারবার্গের পদত্যাগ দাবি করেছেন প্রতিষ্ঠানের বিনিয়োগকারীরা। নিউ ইয়র্ক টাইমসের এ...
জাকারবার্গের পদত্যাগ চান ফেসবুকে বিনিয়োগকারীরা
শনিবার দ্য গার্ডিয়ান একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে, যেখানে বলা হয়, ট্রিলিয়াম অ্যাসেট ম্যানেজমেন্টের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট জোনাস ক্রন ফেসবুকের একটি বড় অংশীদারের মালিক। তিনি মার্ক জাকারবার্গের পদত্যাগ চান।
ক্রনের ভাষায়, ফেসবুক কোনও প্রতিষ্ঠানের মতো আচরণ করছে না। তাদের মনে রাখতে হবে, এটা একটি প্রতিষ্ঠান এবং এর চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী আলাদা ব্যক্তি হওয়া প্রয়োজন।
বলা হচ্ছে, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রতিষ্ঠানগুলোর দোষ খুঁজে বের করতেই একটি প্রতিষ্ঠান ভাড়া করে ফেসবুক। বিষয়টি জানতেন বলে এক প্রেস কনফারেন্সে জানিয়েছেন জাকারবার্গ। তিনি বলেন, বিষয়টি জানার পর আমার টিমের সঙ্গে কথা বলেছি। আমরা আর এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কাজ করছি না।
জাকারবার্গের এমন বক্তব্যের পরও তার পদত্যাগ চাচ্ছেন ফেসবুকে অনেক বিনিয়োগকারী।
গাজীপুরের কালিয়াকৈরে বঙ্গবন্ধু হাইটেক সিটিতে এশিয়ার প্রথম এবং বিশ্বের ষষ্ঠ বৃহত্ ফোর টিয়ার ডেটা সেন্টার চালুর সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে...
সরকারি সকল তথ্য থাকবে নিজেদের ডেটা সেন্টারে
এ ব্যাপারে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার ইত্তেফাককে বলেন, সরকারি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ডেটা বা নথি সংরক্ষণ ও সুরক্ষিত রাখতে এবং জাতীয় ই-সেবা সিস্টেমের মাধ্যমে নাগরিকসেবা দ্রুত নিশ্চিত করতে ফোর টিয়ার ডেটা সেন্টারটি গড়ে তোলা হয়েছে। অতীতে এ ধরনের সেবার জন্য সরকারি বিভিন্ন ওয়েব সাইট এবং তাদের তথ্য সংরক্ষণের জন্য বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ডেটা সেন্টারের ওপর নির্ভর করতে হয়েছে। এসব তথ্য নিরাপদ রাখতে ওইসব দেশের ডেটা সেন্টারকে পেমেন্ট করতে হয়েছে। ক্লাউড কম্পিউটিং ও জি-ক্লাউড প্রযুক্তির ফোর টিয়ার ডেটা সেন্টার দেশে স্থাপন হওয়ায় দেশের ডেটা নিরাপত্তায় উন্নত বিশ্বের মতো বাংলাদেশও তথ্য নিরাপত্তায় স্বনির্ভর হয়ে ওঠল।






Follow Us
Were this world an endless plain, and by sailing eastward we could for ever reach new distances